ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫ , ১৯ চৈত্র ১৪৩১ আর্কাইভস ই পেপার

bkash
bkash
udvash
udvash
uttoron
uttoron
Rocket
Rocket
bkash
bkash
udvash
udvash

সুজানগরে ইউএনও অফিসে জামায়াত নেতাদের পেটালেন  বিএনপি নেতারা

দেশবার্তা

আমাদের বার্তা

প্রকাশিত: ১১:১৫, ৪ মার্চ ২০২৫

আপডেট: ১১:১৬, ৪ মার্চ ২০২৫

সর্বশেষ

সুজানগরে ইউএনও অফিসে জামায়াত নেতাদের পেটালেন  বিএনপি নেতারা

সুজানগরে ইউএনও অফিসে জামায়াত নেতাদের পেটালেন  বিএনপি নেতারা

পাবনার সুজানগর উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিসে তার সামনেই জামায়াত চার জামায়াত নেতাদের পিটিয়েছেন বিএনপি নেতারা।

জানা গেছে, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করায় ইউএনওকে মারতে গেলে জামায়াতের ওই নেতারা বাধা দেন। পরে তাদেরই মারধর করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন।

সোমবার (৩ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ইউএনও মীর রাশেদুজ্জামানের কার্যালয়ে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

যারা মারধরের শিকার হয়েছেন, তারা হলেন উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির ফারুক-ই আজম, সেক্রেটারি টুটুল বিশ্বাস, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি ওয়ালিউল্লাহ বিশ্বাস, সাবেক কাউন্সিলর মোস্তাক আহমেদ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জামায়াতের চার নেতা ইউএনও অফিসে যান। এ সময় ইউএনও অন্য  কাজে ব্যস্ত থাকায় তারা তার অফিস কক্ষে অবস্থান করছিলেন।

সে সময় উপজেলা বিএনপির সাবেক যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মজিবর রহমানের নেতৃত্বে দলীয় কয়েকজন নেতাকর্মী সেখানে যান। বালু উত্তোলন কেন বন্ধ করা হয়েছে, তা ইউএনওর কাছে জানতে চান তারা। সেখানে আগে থেকেই বসে থাকা জামায়াত নেতাদের দেখে  তারা বলেন, এরা কেন এখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকে! এরপর তারা আরো কয়েকজনকে ডেকে নিয়ে আসেন।

তারপর বিএনপি নেতা মজিবুর রহমান, বাবু খাঁ, মানিক খাঁ, আব্দুল বাছেদ, আরিফ শেখসহ ৩০-৪০ জন নেতাকর্মী ইউএনওর কক্ষে ঢুকে ওই জামায়াত নেতাদের কিল, ঘুষি, লাথি মারতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

এদিকে জামায়াত নেতাদের পেটানোর ঘটনার পর জামায়াতের কয়েকশ নেতাকর্মী সেখানে এসে ঘটনার প্রতিবাদ জানান। এ সময় ব্যাপক উত্তেজনা দেখা দেয়।

বিষয়টি নিয়ে ইউএনওর সঙ্গে বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ বিষয়ে সুজানগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আজম বিশ্বাস, সদস্যসচিব শেখ আব্দুর রউফ ও যুবদলের আহ্বায়ক সিদ্দিকুর বলেন, যারা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত, এসব সন্ত্রাসী আমাদের দলের হতে পারে না। আমরা বলেছি, যারা অপরাধী তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নিতে। এদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে আলোচনা করা হবে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান অভিযুক্ত মজিবুর রহমান খান ও মানিক খানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাদের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতরা মামলা করলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সুজানগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মীর রাশেদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি দুঃখজনক। যেহেতু আমার কক্ষে মারধরের ঘটনা ঘটেছে এবং সরকারি কাজে বাধাদানের ঘটনা ঘটেছে, কাজেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জনপ্রিয়