
বান্দরবানে দুই দফায় আগুনে ৮ ঘর পুড়ে ছাই
বান্দরবানের সড়ক ও জনপদ বিভাগের (সিঅ্যান্ডবি) স্টাফ কোয়ার্টারে ছয় দিনে মোট দুই দফায় আগুনে এর আটটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে বলে জানা গেছে। ক্ষতিগ্রস্তরা দাবি করেছেন, উদ্দেশ্যমূলকভাবেই এ অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। এতে তাদের প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সোমবার (২৪ মার্চ) রাত ৯টা ও এর আগে শুক্রবার (২২ মার্চ) বান্দরবান পৌরসভা এলাকার সিঅ্যান্ডবি কলোনির স্টাফ কোয়ার্টারে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, সিঅ্যান্ডবি কলোনিটিতে বান্দরবান সড়ক ও জনপদ বিভাগের অনেক পুরনো কর্মচারীরা বসবাস করতেন। এখানে ১৯৮৭-৮৮ খ্রিষ্টাব্দ থেকে বসবাস করা কর্মচারীরাও ছিলেন। এর মধ্যে একজন অবসরে, একজন অন্য জেলায় বদলি হয়ে গেলেও তাদের পরিবার এই কলোনিতে বসবাস করছিল।
শুক্রবার (২২ মার্চ) মসজিদের মোয়াজ্জেম আরিফ, মো. মোসলিম ও হাসানের ঘর এবং একই কলোনির ড্রাইভার জাকির হোসেন, বশির, দারোয়ান মোসলেম, কাদের ও সন্তোষের ঘরও আগুনে পুড়ে যায়। এরপর সোমবার (২৪ মার্চ) রাত ৯টার দিকে ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে ছয় দিনে দুই দফায় আটটি বসতঘর আগুনে পুড়ে গেছে বলে জানিয়েছেন তারা।
ক্ষতিগ্রস্ত জাকির হোসেনের ছেলে মাসুদ পাটোয়ারী জানান, সোমবারের অগ্নিকাণ্ডে তাদের বসতঘরটিও পুড়ে গেছে। কে বা কারা, কীভাবে যেন আগুন ধরিয়ে দিয়েছে।
অপর ক্ষতিগ্রস্ত মো. মোসলিমের স্ত্রী খদিজা বেগম জানান, শুক্রবারও তাদের একটি ঘর এবং সোমবারও অপর একটি ঘর পুড়ে গেছে। এনিয়ে এক সপ্তাহে তাদের বসবাস করা দুটি ঘর পুড়ে গেছে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে তিনি উদ্দেশ্যমূলক অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন।
বান্দরবান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুর রউফ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পাওয়া মাত্রই আমাদের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। আগুনের সূত্রপাত জানা যায়নি। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। এই অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।