ঢাকা শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২১ চৈত্র ১৪৩১ আর্কাইভস ই পেপার

bkash
bkash
udvash
udvash
uttoron
uttoron
Rocket
Rocket
bkash
bkash
udvash
udvash

মেট্রো পাসের জটিলতায় অসন্তোষ রাজধানীবাসীর

দেশবার্তা

আমাদের বার্তা, ঢাকা

প্রকাশিত: ১০:৫২, ৫ এপ্রিল ২০২৫

আপডেট: ১১:২১, ৫ এপ্রিল ২০২৫

সর্বশেষ

মেট্রো পাসের জটিলতায় অসন্তোষ রাজধানীবাসীর

মতিঝিল থেকে উত্তরা উত্তর। এই রুটে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) আওতাধীন মেট্রো-৬ চালু হয়েছে মাত্র দেড় বছর। এর মাঝেই একক যাত্রা টিকিট এবং এমআরটি পাসের নানা জটিলতায় জনমনে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর মিরপুরে কাজীপাড়া মেট্রোস্টেশনে টিকিট ভেন্ডিং মেশিনের (টিভিএম) লাইনে দাঁড়াতেই ঘটে বিপর্যয়। দেখা দেয় যান্ত্রিক গোলযোগ। আঁচ করতে পেরে কল বাটন চেপে ডাকার চেষ্টা করা হলো মেট্রো কর্মকর্তাদের। তবে মিনিট ১৫ পরও দেখা নেই কারও।

অবশেষে যাত্রীদের তোপের মুখে একজন দৌড়ে এলেন। সমাধান দিয়ে আবার চলে যান। তবে দুটি টিকিট কাটার পর আবারও বন্ধ টিভিএম। দ্বিতীয়বারও এসে ঠিক করে দিয়ে চলে যান ওই মেট্রো কর্মকর্তা। এ বিষয়ে সময় সংবাদ তার কাছেই জানতে চায়, কেন এতো বার কল বাটনে চাপার পরও ভ্রূক্ষেপ নেই কারও। জবাবে তিনি জানান, ওই মেশিনটার কল বাটন সচল নয়।

একক যাত্রার টিকিট নিয়ে এমন অভিযোগ যাত্রীদের কাছ থেকে হরহামেশাই আসে। শুধু তাই নয়, এমআরটি পাস নিয়েও আছে আক্ষেপ।

ব্যক্তিগত উদ্যোগে বাংলাদেশি এক তরুণ খুব অল্প খরচেই এরইমধ্যে তৈরি করেছে ‘এমআরটি বাড্ডি’ নামে নতুন এক মোবাইল অ্যাপ। রিচার্জ করা না গেলেও, এর মাধ্যমে কার্ডে থাকা ব্যলেন্স থেকে শুরু করে যাবতীয় তথ্য যাচাই করা যায় মোবাইলের মাধ্যমেই। তবে প্রশ্ন হলো, ব্যক্তিগত উদ্যেগে একজন তরুণ উদ্যেক্তা এই পদক্ষেপ নিতে পারলে, কেন পারছে না মেট্রো কর্তৃপক্ষ?

ডিএমটিসিএলের সদ্য সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রউফ বলেন, যাত্রীদের জন্য মেট্রো পাস আরও সহজ করতে জাপান থেকে বিশেষ মোবাইল অ্যাপ আনা হচ্ছে। কাজটা শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এখন আমরা অ্যাপটা কীভাবে নেব এই প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে। শিগগির আমরা মেট্রো অ্যাপ চালু করতে পারবো বলে আশাবাদী।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাদিউজ্জামান বলেন, প্রথম থেকেই মেট্রো নিয়ে  পরিকল্পনার ঘাটতি ছিল। বিদেশি প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করলে একটা বড় অংকের টাকা গুনতে হবে। দেশীয় প্রযুক্তিবিদদের সহায়তা নিলে দীর্ঘমেয়াদী ফল পাওয়া যেত।

জনপ্রিয়