রোববার, ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯

থানায় অভিযোগ: শিক্ষার্থীকে পেটালেন স্কুলের সভাপতি

নওগাঁর পত্নীতলার পুঁইয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি দুলালের (৪৫) বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষার্থী নিজে বাদী হয়ে দুলাল ও ইমরুল কায়েসসহ অজ্ঞাত ৫-৬ জন উল্লেখ করে গতকাল রোববার রাতে পত্নীতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। গতকাল রোববার দুপুরে মারধরের ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মে বিদ্যালয়ের সাব্বির নামক একটি ছাত্রের সঙ্গে ১০ম শ্রেণির ছাত্র শামীমের কথা কাটাকাটি হয়। এ ঘটনায় গতকাল রোববার দুপুরে শামীম পরীক্ষা দিয়ে ফেরার সময় স্কুলের গেটে পৌঁছালে সভাপতি দুলাল ও ইমরুল কায়েসসহ অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জন তাকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি লাথি মারতে থাকে। পরে শামীম প্রধান শিক্ষকের কাছে বিচার দিলে তাকে টেনে হিঁচড়ে মাঠে বের করে মারধর করে। মারতে মারতে বলে ‘তুই আমার নামে বিচার দিয়েছিস’। এসময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তাকে ছেড়ে দেন।

এ ঘটনার দিন দুপুরেই প্রধান শিক্ষকের কক্ষে সালিশ বসলে এক পর্যায়ে সভাপতি দুলাল ওই ছাত্রের ওপর রাগান্বিত হয়ে বাঁশের লাঠি দিয়ে তাকে মারধর করে এবং তার কাছে থাকা একটি মোবাইল ফোন জোর করে নিয়ে নেন। এসময় আজমাইন নামের এক ছাত্র তাকে বাঁচাতে গেলে তাকে মারপিট করে তারও ফোন কেড়ে নেন।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা আলী দৈনিক আমাদের বার্তাকে বলেন, ছাত্রদের দুইপক্ষের মধ্যে গন্ডগোল হলে সালিশে তা মিমাংসা করা হয়। এ সময় সভাপতি উভয়পক্ষকে থামানোর জন্য হালকা শাসন করেছেন।

ছাত্রকে মারপিটের অভিযোগ অস্বীকার করে সভাপতি দুলাল মন্ডল দৈনিক আমাদের বার্তাকে বলেন, কোন মারধরের ঘটনা ঘটেনি। আমি কাউকে মারপিট করিনি। ছাত্রদের মধ্যে গণ্ডগোল হয়েছিল দুই পক্ষের অভিভাবকদের উপস্থিতিতে তা মীমাংসা করে দেয়া হয়েছে।

পত্নীতলা থানার অফিসার ইনচার্জ শামসুল আলম শাহ দৈনিক আমাদের বার্তাকে বলেন, থানায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।