রোববার, ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯

প্রাথমিকের উপবৃত্তির টাকা তুলতে হয়রানির অভিযোগ

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য দেওয়া সরকারি উপবৃত্তির টাকা তুলতে হয়রানির মধ্যে পড়েছে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও তাঁদের পিতা-মাতা গ্রাম-শহর ঘুরেও টাকা তুলতে না পেরে ক্ষোভ জানিয়েছেন।

২০২০-২০২১ অর্থবছরের উপবৃত্তি প্রদান প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও জামা, জুতা এবং ব্যাগ কেনার (কিটস অ্যালাউন্স) টাকা গত সপ্তাহ থেকে শিক্ষার্থীদের দেওয়া মা-বাবা বা বৈধ অভিভাবকের মোবাইল নম্বরে আসতে শুরু করে। শিক্ষা উপকরণ কেনার জন্য মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস নগদের মাধ্যমে সরকার এ টাকা প্রদানের চুক্তি করে। সে মোতাবেক প্রতি বিদ্যালয় হতে নগদের সার্ভারে এন্ট্রি করা মোবাইল নম্বরে টাকা আসার মেসেজ দেখে শত শত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা গ্রাম এবং শহরের নগদ অ্যাজেন্ট দোকানগুলোতে ভীড় জমায়। কিন্তু কোনোভাবেই টাকা উত্তোলন করা সম্ভব হচ্ছে না। এর আগে রুপালী ব্যাংকের শিওর ক্যাশের মাধ্যমে এ টাকা বিতরণ করা হত। শিওর ক্যাশ বন্ধের পর নগদের এমএফএস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা প্রদানের ব্যবস্থা নেয় সরকার।

অভিভাবকদের অভিযোগ টাকা উত্তোলনের সর্বশেষ ধাপে গোপন পিন প্রবেশ করালে ডিড নট ম্যাচ আসছে। আগে দেওয়া গোপন পিন সমূহ এমনিতেই পরিবর্তন হয়ে গেছে। পূণরায় নতুন পিন সেট করার চেষ্টা করেও কাজ হচ্ছে না। পাটগ্রাম পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সাহেবডাঙাএলাকার বাসিন্দা সপিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার মেয়ে মরিয়ম আক্তার তৃতীয় ও ছেলে মোস্তাকিন হোসেন ৫ম শ্রেণিতে পাটগ্রাম বালিকা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে। উপবৃত্তির জন্য বিদ্যালয়ে দেওয়া আমার মোবাইল নম্বরে টাকা আসার মেসেজ দেখে গত তিনদিন ধরে টাকা তোলার চেষ্টা করছি, টাকা উঠছেনা।

জগতবেড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইব্রাহিম আলী বলেন, ‘উপবৃত্তির টাকা আসার মেসেজ অভিভাবকদের মোবাইল নম্বরে এসেছে। আমরা বিদ্যালয়ের অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর নিকটস্থ নগদ এজেন্ট পয়েন্টগুলোতে পাঠিয়েছি।