রোববার, ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯

শিক্ষার কারিগরদের স্বপ্ন-সাধ

দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত ইউপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ, একজন বেসরকারি শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং নিজের সরকারি প্রাপ্য বেতন-ভাতা, গ্রেড-বৈষম্য, সৃজনশীল চিন্তা থেকে একটি বিদ্যারলয়ের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে অভিজ্ঞতা হলো। অভিজ্ঞতার বিষয়গুলো হলো বাংলাদেশে একজন শিক্ষকের বেতনভাতা, সামাজিক মর্যাদা, অফিস-আদালত ও সমাজে তার সম্মান মূল্যায়ন ইত্যাদি।

শিক্ষকতা এমন একটি পেশা, যাকে সকল পেশার স্রষ্টা বলা যায়। শিক্ষা এবং শিক্ষকতা নিয়ে যতটুকু চিন্তা করেছি, জানা ও বোঝার চেষ্টা করেছি, তা হলো শিক্ষকদের বাদ দিয়ে উন্নত দেশ, জাতি ও সমাজ গঠন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়।

একজন শিক্ষকের কাজ শুধু জ্ঞানদানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। কোনো সন্তান যখন উচ্ছৃঙ্খলতা কিংবা বখাটেপনায় জড়িয়ে যায়, তখন তার পরিবার একমাত্র শিক্ষকের কাছে আত্মসমর্পণ করে। তাছাড়া শিক্ষকগণ রাষ্ট্রের বিভিন্ন প্রয়োজনে তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব মনে করে সততা ও নিষ্ঠার সাথে পালন করেন।

নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য নির্বাচন কমিশন সরকারি শিক্ষকদের পাশাপাশি বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের, প্রিজাইডিং, সহ-প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসার হিসেবে, চাকরি বিধি ও গ্রেড অনুসারে ভোট গ্রহণের দায়িত্ব বণ্টন করেন। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব বণ্টন পদ-পদবী ও গ্রেড অনুসারে হোক, এটাই সবার প্রত্যাশা। কিন্তু কষ্ট লাগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের ছাত্র মাধ্যমিক স্কুলের অফিস সহকারীর সাথে একই মর্যাদার চেয়ারে পোলিং অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন। আরও কষ্ট লাগে একজন নবম গ্রেডের কলেজ প্রভাষককে ১৩তম গ্রেডের স্বাস্থ্য সহকারী অথবা তহসিলদারের সাথে একই মর্যাদায় দায়িত্ব পালন করতে হয়। নির্বাচন ও অন্যান্য সময়ে আরও অনেক অমর্যাদা ও অবহেলার উদাহরণ দেয়া যাবে।

শিক্ষকদের দুরবস্থার কথা চিন্তা করে ইউনেস্কো ও আইএলও ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দ ‘শিক্ষক দিবস’ পালনের ঘোষণা দেয়। তবে দুঃখের সাথে বলতে হয় ‘শিক্ষক দিবস’ শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ। বলতে লজ্জা লাগে, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনেক নির্দেশ পালনের ঘোষণা থাকলেও শিক্ষক দিবস পালনের কোনো আদেশ ও নির্দেশনা আজও পর্যন্ত চোখে পড়েনি। তাছাড়া শিক্ষকদের নিজেদের অর্থনৈতিক দৈন্যের কারণে ‘শিক্ষক দিবস’ পালন দূরে থাক, নিজের বিবাহ বার্ষিকী, সন্তানের জন্মদিনের কথাও অনেকের মনে থাকে না।

এতক্ষণ জানা গেল একজন বেসরকারি শিক্ষকের দায়িত্ব-কর্তব্য, সামাজিক মর্যাদা, দায়িত্ব পালন ও অবহেলার কথা। এবার আলোচনা করব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষকদের চাকরির গ্রেড, বিভিন্ন ভাতা, উৎসব, প্রমোশন ইত্যাদি নিয়ে। বর্তমান বাংলাদেশ সরকার বিশ্বের বিভিন্ন উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের শিক্ষা পদ্ধতি অনুসরণ ও অনুকরণ করে। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, যুগোপযোগী, প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে অনেক দেশকে পেছনে ফেলে, শিক্ষা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। তবে শিক্ষার উন্নতির জন্য প্রথম প্রয়োজন শিক্ষকদের জন্য উপযুক্ত বেতন ভাতা, প্রশিক্ষণ, পাশাপাশি বাস্তব জীবনমুখী গবেষণা এবং জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্র সৃষ্টি করা। যেন শিক্ষকরা দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে অর্থনৈতিক দৈন্য থেকে দুশ্চিন্তামুক্ত হয়ে জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করতে পারে। আলোচনার সুবিধার্থে মাধ্যমিক থেকে স্নাতক শ্রেণি পর্যন্ত সরকারি বেসরকারি শিক্ষকগণ একই শিক্ষাক্রমে পাঠদান করলেও সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষকদের বেতন-ভাতা আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রে পাহাড়সম বৈষম্যের চিত্র পৃথকভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করছি।

সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের একজন সহকারী শিক্ষক শিক্ষা মন্ত্রণালয় নির্ধারিত পরীক্ষার মাধ্যমে উত্তীর্ণ বিএডসহ ১৬ হাজার টাকা মূল বেতন, চিকিৎসা ভাতা ১৫০০, শিক্ষাভাতা দুটি বাচ্চা হলে ১০০০ টাকা, একটি হলে ৫০০, বৈশাখি ভাতা ২৫%, উৎসব ভাতা মূল বেতনের সমপরিমাণ, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রতি তিন বছর পর পর ১৫ দিন ছুটিসহ মূল বেতনের সমপরিমাণ টাকা পেয়ে থাকেন। সহকারী শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক সেখান থেকে জেলার শিক্ষা অফিসার হতে পারে। প্রধান শিক্ষক প্রমোশন পেয়ে ডিডিইও হতে পারেন। অন্যদিকে একজন বেসরকারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক এনটিআরসিএ উত্তীর্ণ হয়ে বিএডধারী হলে ১৬,০০০ টাকা মূল বেতন, বিএড ছাড়া ১২,৫০০ বাড়িভাড়া প্রধান শিক্ষক থেকে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী পর্যন্ত সবার সমান ১,০০০ টাকা। উৎসব ভাতা ২৫%। চিকিৎসা ভাতা ৫০০। শিক্ষাভাতা নেই। শ্রান্তি বিনোদন ছুটি ও ভাতা নেই। প্রমোশনের কোনো সুযোগ নেই। একজন সহকারী শিক্ষক দশ বছর পর বড়জোর সহকারী প্রধান শিক্ষক হতে পারেন। বেসরকারি কর্মচারীদের টিফিন, লন্ড্রিভাতাও নেই।

বেসরকারি মাধ্যমিক স্কুলের সহকারী শিক্ষকের অভিজ্ঞতা থাকলেও প্রধান শিক্ষক হওয়ার সুযোগ নেই, প্রধান শিক্ষক হতে হলে তাকে অবশ্যভই তিন বছরসহ প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। একজন বেসরকারি মাধ্যভমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মুল বেতন ২৯,০০০ টাকা অন্যষদিকে সরকারি মাধ্যমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের মুল বেতন ৩৫,৫০০ টাকা, সরকারি মাধ্যরমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের প্রমোশনের সুযোগ থাকলেও বেসরকারি মাধ্যশমিক স্কুলের প্রধান শিক্ষকের প্রমোশনের কোনো সুযোগ নেই।

একজন সরকারি কলেজ শিক্ষক বিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে নবম গ্রেড জাতীয় বেতন স্কেল-২০১৫ প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।
অপরদিকে একজন বেসরকারি কলেজ শিক্ষক এনটিআরসিএ উত্তীর্ণ হয়ে নবম গ্রেড পদমর্যাদায় যোগদান করেন।

একজন সরকারি কলেজশিক্ষক প্রতিমাসে মূল বেতনের সাথে স্থানভেদে বাড়িভাড়া বাবদ যথাক্রমে ৬৫%, ৬০%, ৫৫%, ৫০%, ৪৫%, ৪০% ও ৩৫% বেশি পেয়ে থাকেন। অপর দিকে একজন বেসরকারি কলেজশিক্ষক প্রতিমাসে বাড়িভাড়া বাবদ নির্ধারিত ১,০০০ টাকা পেয়ে থাকেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি, অধ্যক্ষ থেকে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী পর্যন্ত একই বাড়িভাড়া।

সরকারি কলেজ শিক্ষকগণ প্রতিমাসে চিকিৎসা ভাতা বাবদ ১,৫০০ টাকা প্রাপ্য হলেও বেসরকারি শিক্ষকগণ প্রতিমাসে ৫০০ টাকা পেয়ে থাকেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে একজন এমবিবিএস ডাক্তারের সর্বনিম্ন ফি ৫০০ থেকে ১,০০০ টাকা।

সরকারি কলেজ শিক্ষকগণ উৎসবভাতা মূল বেতনের ১০০% পেয়ে থাকেন, অপরদিকে বেসরকারি কলেজ শিক্ষকগণ মূল বেতনের ২৫% থেকে ৫০% উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন।

সরকারি কলেজ শিক্ষকগণ প্রতি তিন বছর পর পর ১৫ দিন ছুটিসহ শ্রান্তিবিনোদন (মূল বেতনের সমপরিমাণ) ভাতা পান। অন্যনদিকে বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের উক্ত ছুটি ও ভাতা প্রাপ্তির কোনো সুযোগ নেই।

সরকারি কলেজ শিক্ষকদের পদোন্নতির বিভিন্ন স্তর আছে। সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক। অন্যঅদিকে বেসরকারি শিক্ষকদের মাত্র একটি স্তর, সেটি সহকারী অধ্যাপক।

সরকারি কলেজ শিক্ষকগণ একটি নির্দিষ্ট সময়ে সবাই সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেও বেসরকারি কলেজ শিক্ষকগণের মাত্র একটি পদোন্নতি আছে। সেটি সহকারী অধ্যাপক। তবে সেটা সবাই পান না, এখানে কিছু নিয়মের বেড়াজালে আবদ্ধ। বর্তমানে মোট শিক্ষকের ৫০% সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি প্রাপ্যতা আছে। বেসরকারি কলেজে এমন অনেক শিক্ষক আছেন, যারা সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি না পেয়ে অবসরে গেছেন। পূর্বে এর অনুপাত ছিল ৫: ২।

সরকারি কলেজ শিক্ষকদের প্রতি মাসে বেতন থেকে অবসরভাতা ও কল্যাণ তহবিলে টাকা সরকার কর্তন করে না। এমনকি সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরও নয়। অথচ বেসরকারি শিক্ষকদের প্রতিমাসের বেতন থেকে অবসরভাতা ও কল্যাণ তহবিলের জন্য মূল বেতন থেকে ১০% টাকা কর্তন করে থাকেন।

সরকারি কলেজ শিক্ষকদের প্রেষণে শিক্ষা বোর্ড, মাউশিতে বিভিন্ন কর্মকর্তা পদে পদায়ন করা হলেও বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের প্রেষণে অন্য কোনো পদে পদায়নের সুযোগ নেই।

সরকারি কলেজ শিক্ষকদের অবসরের পরে প্রতিমাসে পেনশনের ব্যবস্থা আছে। অন্যদিকে বেসরকারি কলেজ শিক্ষকদের পেনশন ব্যবস্থা তো নেই বরং নিজেদের জমানো টাকা নিতে গিয়ে বছরের পর বছর ভোগান্তি পোহাতে হয়।
প্রতিমাসে বেতনের ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে। সরকারি কলেজ শিক্ষক নবম গ্রেড মূল বেতন ২২,০০০ বাড়িভাড়া, ৮,৮০০ চিকিৎসাভাতা, ১,৫০০ শিক্ষা ভাতা (একটি সন্তান হলে ৫০০, দুটি হলে ১,০০০ টাকা) পেয়ে থাকেন। অন্যদিকে বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মূল বেতন ২২,০০০, বাড়িভাড়া ১,০০০, চিকিৎসা ৫০০ টাকাসহ মোট ২৩ হাজার পাঁচশত, অবসর ও কল্যাণ বাবদ কর্তন ২,২০০, অবশিষ্ট ২১ হাজার ৩০০ টাকা।

বাংলাদেশে শিক্ষকদের বেতনভাতা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সবার নিচে। ২০১০ খ্রিষ্টাব্দে স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর কথা বলা হলেও ১২ বছরে সেটি আলোর মুখ দেখেনি। অথচ আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশে শিক্ষকদের বেতনভাতা ও আনুষঙ্গিক সুযোগ-সুবিধা অনেক বেশি। ভারতসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে প্রভাষক পদ নেই, সহকারী অধ্যাপক দিয়ে শুরু।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিক্ষার মর্যাদা ও শিক্ষকদের সম্মান করতেন। শিক্ষার গুরুত্ব বিবেচনা করে ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করে শিক্ষানুরাগের মহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। বর্তমান বাংলাদেশে তারই সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদূরপ্রসারী চিন্তা ও দৃঢ় নেতৃত্ব জাতির পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই ২০১৩ খ্রিষ্টাব্দে দেশের বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ, উপজেলা পর্যায়ে একটি মাধ্যমিক স্কুল ও একটি ডিগ্রি কলেজকে জাতীয়করণ, ১১ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিমকে আশ্রয় দিয়ে মাদার অফ হিউমিনিটি খেতাব অর্জন, পদ্মা সেতু নির্মাণ, শতভাগ বিদ্যুতায়ন, করোনা মোকাবিলা, যাতায়াত ব্যবস্থা, ভূমিহীনদের গৃহদানসহ বিভিন্ন বিষয়ে উন্নয়নমুখী পদক্ষেপের কারণে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। উন্নয়নের এই ধারাকে অব্যাহত রাখতে এবং দক্ষ জনসম্পদ তৈরির কারিগর শিক্ষক ও শিক্ষার দিকে নজর দিতে হবে। দেশের স্বীকৃতিপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ঘোষণা, সরকারি-বেসরকারি শিক্ষকদের বেতনভাতা গ্রেড বৈষম্য্ দূর করে শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল ঘোষণা, উদার ও বিচক্ষণ দৃষ্টির মাধ্যামে, আমলানির্ভরতা কমিয়ে দেশের শিক্ষার উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেবেন। তবেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় তার স্বপ্ন বাস্তবায়নে শিক্ষকরা আরো উৎসাহী হয়ে সৎ যোগ্য ও দক্ষ জনসম্পদ তৈরিতে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করবেন এবং বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষকদের কাছে ও ইতিহাসের পাতায় আজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবেন, এটাই আজ সময়ের দাবি।



লেখক : জিএম আব্দুল ওহাব, প্রভাষক, ইতিহাস বিভাগ, নওয়াবেঁকী মহাবিদ্যালয়, সাতক্ষীরা ।