রোববার, ২৬ জুন ২০২২, ১২ আষাঢ় ১৪২৯

কাণ্ডারী শেখ হাসিনা

স্বাধীনতার পরে বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় উৎসবটি হতে চলেছে আগামী ২৫ জুন। স্বপ্নের সোনার বাংলায় স্বপ্নের পদ্মা সেতু এই দিনে সর্ব সাধারণের জন্য খুলে দেয়া হবে। সমগ্র জাতি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। এর দুদিন আগে ২৩ জুন আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের গোড়াপত্তন হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ খ্রিষ্টাব্দে পূর্ব পাকিস্থান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে। নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে এই দলটিকে এগিয়ে যেতে হয়েছে এবং বর্তমানে এই দলটি বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনা করে যাচ্ছে। ১৯৭০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে দলটির নির্বাচনী প্রতীক নৌকা। দলটির প্রথম সভাপতি ছিলেন মাওলানা হামিদ খান ভাসানী। পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দলটির সভাপতি হন এবং দলটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যান। বঙ্গবন্ধু এবং তার দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। বঙ্গবন্ধু দলটির তিনবার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আর তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা দলটির ৯ বার সভাপতি নির্বাচিত হন। ৭৩ বছরে দলটির ২১টি জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাতৃভূমি বাংলাদেশে পিতা-মাতাসহ পরিবারের বেশিরভাগ সদস্য নিহত হওয়ার ৬ বছর পর ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দের ১৭ মে প্রবাস থেকে দেশে ফিরেন শেখ হাসিনা। ১৯৮১ খ্রিষ্টাব্দেই তার অনুপস্থিতে তাকে সর্বসম্মতিক্রমে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ৪১ বছর ধরে শেখ হাসিনা দলটির সভাপতি হিসাবে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন। তার সাহসী এবং দক্ষ নেতৃত্বে দলটি আজ ঐক্যবদ্ধ।

চার দশকের বেশি সময় ধরে বৃহৎ একটি দলকে নেতৃত্ব দেয়া সোজা কোনো বিষয় নয়। ‘দূর্গম গিরি কান্তার মরু’ তাকে অতিক্রম করতে হয়েছে। পদে পদে মোকাবিলা করতে হয়েছে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জ। প্রাণনাশের হুমকিতে সব সময়ই থেকেছেন। ২০০৪ খ্রিষ্টাব্দের ২১ আগস্টে তিনি প্রাণ হারাতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার কৃপায় এবং মানুষের ভালোবাসায় বেঁচে যান তিনি। তবে এটা ঠিক বঙ্গবন্ধু কন্যা হিসাবে মৃত্যুকে তিনি কখনোই ভয় করেননি। বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি বৃহৎ দলকে নেতৃত্ব দেয়া এবং সরকার প্রধান হিসাবে দেশ পরিচালনা করা তার প্রখর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সাহস, অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং ধৈর্য্যের সাক্ষর বহন করে। গত কয়েক বছরে দেশকে তিনি সাফল্যের স্বর্ণশিখরে পৌঁছে দিয়েছেন। তার কর্মের নানা প্রকার সমালোচনা থাকতেই পারে, কিন্তু মানুষের কল্যাণে তিনি যে কিছু করতে চান, সেটা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। করোনা মহামারিতে সারা বিশ্ব যখন দিশেহারা, তখন তিনি খুব ধৈর্য আর প্রজ্ঞার সাথে সেটা মোকাবিলা করেছেন। করোনা মোকাবিলায় বিশ্বের মধ্যে তিনি অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। তিনি তার পিতার মতই একজন স্বপ্নদ্রষ্টা নেতা। তিনি বাংলার প্রতিটি মানুষকে নিয়ে ভাবেন। গরিব দুখীদের কষ্ট মাথায় রেখে তিনি ভূমিহীনদের ঘর বানিয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশে নারীদের অবস্থান কী ছিল সেটা সবাই জানে। নারীর ক্ষমতায়নে শেখ হাসিনার অবদান এক বড় মাইলফলক হয়ে থাকবে। ডিজিটাল বাংলাদেশের যে স্বপ্ন বাঙালিদের ছিল, তিনি সেটাও পূরণ করেছেন।

বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে নিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা। তার পরবর্তী লক্ষ্য বাংলাদেশকে উন্নত দেশে পরিণত করা। আওয়ামী লীগের পেছনের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক আদর্শের দল হিসাবে এর নাম আওয়ামী লীগ করা হয়। বাঙালি জাতীয়তাবাদ, ধর্ম নিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে দলটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই দলটি প্রাদেশিক স্বায়ত্ত্বশাসনের ওপর বিশেষ গুরুত্বসহ ৪২ দফা কর্মসূচি গ্রহন করে। স্বাধীনতা যুদ্ধে নেতৃত্ব দানকারী এই দলটি ১৯৫২, ১৯৫৪, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ এবং ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছে এবং রাজপথে সোচ্চার থেকেছে। ১৯৭৫ খ্রিষ্টাব্দে ১৫ আগস্টের সেই ভয়াবহ ট্র্যাজেডির পর দলটিকে আরো বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল। কিন্তু শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দূরদর্শিতা দলটিকে যে কোনো পরিস্থিতিতে বেগবান রাখতে সক্ষম হয়েছে। সরকার গঠনের পর থেকে বাংলাদেশকে অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। নব্বইয়ের ঐতিহাসিক গণআন্দোলনের নেতৃত্ব দানকারীদের অন্যতম ছিলেন শেখ হাসিনা। উন্নয়নের রূপকার ও নৌকার কাণ্ডারী হিসাবে শেখ হাসিনা এক অনন্য স্থান দখল করে আছেন বিশ্ব রাজনীতিতে। পার্বত্য চট্টগ্রামে সুদীর্ঘ ২৫ বছরের সন্ত্রাসের অবসানের ক্ষেত্রে তার অসামান্য অবদান বিশ্ব দেখেছে। ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো তাকে (Houphouet-Boigny) শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। ২০১৪ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো তাকে ‘শান্তির বৃক্ষ’ এবং ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে ‘উইমেন ইন পার্লামেন্ট গ্লোবাল ফোরাম’ নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তাকে রিজিওনাল লিডারশিপ পুরস্কারে ভূষিত করে। বাংলাদেশে কৃষির উন্নয়ন, খাদ্যে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অবদানের জন্য আমেরিকার কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে তাকে সম্মাননা সনদ প্রদান করে। বিভিন্ন মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে তার সাহসী উদ্যোগ সমগ্র বিশ্বে নজির সৃষ্টি করেছে। পদ্মা সেতু বানিয়ে তিনি বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ আর আগের অবস্থানে নেই। বাংলাদেশের সক্ষমতা আজ বিশ্ব জেনে গেছে। বাংলাদেশকে দেখে বিশ্বের অনেক দেশের শেখার আছে অনেক কিছু। পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বঙ্গবন্ধু টানেল, বঙ্গবন্ধু রেলসেতু, মাতারবাড়ি প্রকল্প, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, পায়রা সমুদ্রবন্দরসহ বহু মেগা প্রকল্পের সফল সমাপ্তি ঘটতে চলেছে। শেখ হাসিনা এমন একজন নেতা, যিনি তার সিদ্ধান্তে অবিচল থাকতে পারেন। ইস্পাতকঠিন সমস্যাকে তিনি দক্ষতার সাথে সমাধান করতে পারেন।

রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তার সমালোচনা থাকবে এটা স্বাভাবিক। কিন্তু সার্বিক দিক থেকে চিন্তা করলে তার কতিপয় পদক্ষেপ অবশ্যই জাতির মনে আশার সঞ্চার করে। পারিবারিকভাবেই তিনি রাজনৈতিক জ্ঞানে সমৃদ্ধ হয়েছেন। স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে রাজনীতিতে সক্রিয় থেকেছেন। এক কথায় বলা যায়, রুট লেভেল থেকে ধীরে ধীরে রাজনীতির ময়দানে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। শিক্ষা জীবনে ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছেন। ৬৯-এর গণআন্দোলনে সক্রিয় অংশ নিয়েছেন। তিলে তিলে আন্দোলন সংগ্রাম করে বহু ঘাতপ্রতিঘাত সহ্য করে তিনি আজ এ পর্যায়ে এসেছেন। রাজনীতির ময়দানে তিনি উড়ে এসে জুড়ে বসেননি। তার ওপর বেশ কয়েকবার আক্রমণের চেষ্টা করা হয়েছে। ১৯৯৩ খ্রিষ্টাব্দের ২৪ জানুয়ারি চট্টগ্রামে শেখ তার জনসভায় গুলি ও বোমা হামলায় ৫০ জন আহত হয়। এত হুমকি আর আক্রমণের পরও তিনি নিজেকে শান্ত রেখেছেন, দলকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করেছেন। মোট কথা, যে কোনো পরিস্থিতিতে অবিচল আর অনড় থেকে শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়েছেন। তার রাজনৈতিক জীবনে অনন্য কিছু অর্জন রয়েছে। ১৯৯৬ খ্রিষ্টাব্দের ১২ ডিসেম্বর ভারতের সঙ্গে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি, ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি, ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে যমুনা নদীর ওপর বঙ্গবন্ধু সেতুর কাজ সম্পন্ন করা এবং ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষার স্বীকৃতি অর্জনে তার সাহসী ভূমিকা সমগ্র বিশ্ব দেখেছে। ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ১৪ মার্চ সমুদ্রসীমাসংক্রান্ত মামলায় রায়ে বঙ্গোপসাগরে ১ লাখ ১১ হাজার ৬৩১ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয় তার শাসনামলে। এক্ষেত্রে তার অসামান্য অবদান রয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নসারথী এই নেতা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বাংলার প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেবেন। সে প্রতিশ্রুতি তিনি রেখেছেন। একটা সময় ছিল যখন লোডশেডিংয়ের জ্বালায় মানুষ অতিষ্ঠ থাকত। কিন্তু আজ সেটা অতীত। বাংলার আনাচে কানাচে আজ বিদ্যুৎ পৌঁছে গেছে এবং উন্নত হয়েছে মানুষের জীবন যাত্রার মান। দীর্ঘদিনের চলমান ছিটমহল সমস্যার এক যুগান্তকারী সমাধান হয়েছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। বেসরকারি টেলিভিশন খাতকেও তিনি ব্যাপকভাবে সমৃদ্ধ করেছেন। দেশের যুবসমাজ মাদকে ডুবে গিয়েছিল। মাদক নিয়ন্ত্রণে তার ভূমিকার কথা সবাই জানে। দেশের অর্থনীতির চাকাকে তিনি কতটা সচল করেছেন, তা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন পড়ে না। দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরীর কাজ বহুদূর এগিয়েছে। ১৮ কোটি মানুষের ছোট একটি দেশকে নেতৃত্ব দেয়ার কাজটি তো এত সহজ নয়। নানা প্রকার সমস্যার জালে আটকে পড়া বিভিন্ন সেক্টরকে তিনি সমস্যামুক্ত করেছেন। দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তার অনন্য ভূমিকা রয়েছে। যাহোক তার সঠিক নেতৃত্বে দেশের সবগুলো খাত সমানতালে এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু নিত্যপণ্যের অতিরিক্ত দাম সাধারণ মানুষকে বেকায়দায় ফেলেছে। বৈশ্বিক বাজারের প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের একটি অপার সম্ভাবনা রয়েছে, আর সেটি হলো কৃষি। কৃষিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়েই এগোতে হবে আমাদের। দেশে বেকারত্ব চরম আকার ধারণ করেছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সরকারের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। কিন্তু কর্মসংস্থানের পরিধি আরো বহুগুণে বাড়াতে হবে। দেশের জনসংখ্যা উচ্চ হারে বেড়ে চলেছে। এক্ষেত্রে লাগাম টানতে হবে। ছোট একটি দেশ এত মানুষের ভার আর বহন করতে পারছে না। রোহিঙ্গাদের সেই সময়ে দেশে আশ্রয় দিয়ে শেখ হাসিনা বিশ্ব মানবতার পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু রোহিঙ্গা সংকট তীব্রতর হচ্ছে দিন দিন। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে সরকার কাজ করছে। কিন্তু আমরা শেখ হাসিনার আরো বেশি উদ্যোগ এক্ষেত্রে দেখতে চাই। যে কোনো ভাবেই হোক, রোহিঙ্গাদের তাদের নিজ দেশে ফিরিয়ে দিতে হবে। ভাসানচরে সুন্দর স্থাপনা নির্মাণ করে রোহিঙ্গাদের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়ে শেখ হাসিনা বিশ্ব নজির সৃষ্টি করেছেন। সব দিকেই নজর রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ইতোমধ্যে জাতিকে একটি নতুন শিক্ষাক্রম উপহার দিয়েছেন। শিক্ষাখাতকে সমৃদ্ধ করতে তিনি বহু স্কুল, কলেজ জাতীয়করণ করেছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কাছে শিক্ষকরা প্রত্যাশা করে যে, তিনি সমগ্র শিক্ষা ব্যবস্থাকে একসঙ্গে জাতীয়করণ করে দেবেন। শেখ হাসিনা শিক্ষকদের এই প্রত্যাশা পূরুণ করবেন বলে শিক্ষকরা বিশ্বাস করে।

আওয়ামী লীগ একটি প্রাচীন রাজনৈতিক দল। এই দলটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তি এবং কল্যাণ নিশ্চিত করা। ২০২৩ খ্রিষ্টাব্দে দেশে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সমগ্র জাতি একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন দেখতে চায়। বঙ্গবন্ধুকন্যা হিসেবে শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সমগ্র জাতির কাছে। বঙ্গবন্ধুকন্যার কাছে সমগ্র জাতির একটি বড় চাওয়া আর সেটি হলো দুর্নীতি ও বেকারত্বমুক্ত একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। দুর্নীতি দমনে শেখ হাসিনার জিরো টলারেন্স নীতির সফল বাস্তবায়ন দেখতে চায় দেশবাসী।

 

লেখক : মাজহার মান্নান, সহকারী অধ্যাপক , বিএএফ শাহীন কলেজ, ঢাকা।