
কয়েকটি নিউজ পোর্টাল ও গণমাধ্যম ফেসবুকে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল সম্পর্কে কিছু বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। প্রকাশিত এসব সংবাদ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং এর কোনো সত্যতা নেই বলে দাবি করেছেন ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল কর্তৃপক্ষ।
এসব খবরে দাবি করা হয়, বর্তমান সরকারের উপদেষ্টাসহ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়কদের জন্য হোটেলটি বিনামূল্যে রুম ও অন্যান্য সেবা দিয়েছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড (বিএসএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ভূঞার সই করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি কিছু অনলাইন নিউজপোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা ও সাবেক ছাত্র সমন্বয়কদের জন্য ফ্রি রুম ও অন্যান্য পরিষেবা প্রদান সংক্রান্ত মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সম্পর্কিত খবর আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা সাংবাদিকতার নীতিমালার পরিপন্থী।
বিবৃতিতে বলা হয়, এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও মিডিয়া হাউসের উচিত ছিল হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা। সেটা না করে যে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে, এ ধরনের প্রচারণা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং এর কোনো সত্যতা নেই।
আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে বিবৃতিতে আরো বলা হয়, মিথ্যা তথ্য প্রচারের মাধ্যমে আমাদের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকার সুনাম ক্ষুণ্ন করার এই প্রচেষ্টাকে আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা এ বিষয়গুলোকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি। এ ধরনের মানহানিকর খবর ছড়ানোর জন্য দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
হোটেল কর্তৃপক্ষ ভবিষ্যতে এ ধরনের সংবাদ পরিবেশন থেকে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরো দাবি করা হয় যে, পাঁচ তারকা এই হোটেল ছয় মাসে ৫০০ কোটি টাকারও বেশি লোকসান করেছে এবং সরকারের উপদেষ্টারা ও সাবেক সমন্বয়করা ১০টি রুম দীর্ঘ সময় ধরে দখল করে রাখেন। এসব কক্ষের জন্য কোনো ভাড়া পরিশোধ করেননি এবং খাবার ও পানীয়র বিলও পরিশোধ হয়নি।