
বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে ক্রোড়পত্র নয়, পত্রিকায় বিশেষ ফিচার প্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জানা গেছে, ২৩ মার্চ জাতীয়ভাবে চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ এবং চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো ও অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠান পরিকল্পনার জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী এই সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়, নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ক্রোড়পত্রের পরিবর্তে পত্রিকায় বিশেষ ফিচার প্রকাশ করার ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। এ বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উদযাপন অনুষ্ঠান আবশ্যিকভাবে জাতীয় সংগীত ও ‘এসো হে বৈশাখ’ গান পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রতি বছরের মতো পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করবে।
এ বছর বাঙালি জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো, মনিপুরী ও অন্য জাতিগোষ্ঠী এবং নারী ফুটবলারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সর্বজনীন শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রত্যেক জাতিগোষ্ঠী তাদের নিজস্ব সংস্কৃতির লোকজ সংগীত ও বাদ্যযন্ত্রে নিজস্বতা ফুটিয়ে তুলবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি তিন পার্বত্য জেলার জাতিগোষ্ঠীসহ অন্য সব জাতিগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক দলকে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণের বিষয়টি সমন্বয় করবে।
এছাড়া, থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সুরের ধারা, ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠী, বুলবুল ললিতকলা একাডেমি, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থা, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশন, গণসংগীত সমন্বয় পরিষদ, উৎসব উদযাপন পরিষদ, ব্যান্ড-এফ মাইনর, সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী, গারো সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ অন্য সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে অনুষ্ঠান আয়োজন করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এ ছাড়াও, ছায়ানট রমনা বটমূলে পহেলা বৈশাখের সকালে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করবে। অনুষ্ঠান আয়োজনের সম্ভাব্য সময় ভোর ৬টা ১৫ মিনিট থেকে ৮টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত।