
অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধে যারা আমাদের সহযোগী ও স্টোকহোল্ডার রয়েছে তাদের পরামর্শ ছাড়া সরকার একা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।
এ ছাড়া সরকার মনে করছে, রাজনৈতিক দলগুলোর পরামর্শের প্রয়োজন রয়েছে। আমরা মনে করছি, সরকার সবার সঙ্গে পরামর্শ-পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।
বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ইছাপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামের পূর্ব নারায়ণপুর ইসলামীয়া জুনিয়র দাখিল মাদ্রাসা পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি বাড়িতে পৌঁছে মা-বাবাসহ স্বজনদের সঙ্গে দেখা করে তার দাদা-দাদির কবর জিয়ারত করেন।
মাহফুজ আলম বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী ডিসেম্বর থেকে জুন ২০২৬ এর মধ্যে নির্বাচন দেবেন। সংস্কার কতটুকু হবে, কীভাবে হবে তার ওপর নির্ভর করবে। এর ভেতরেই নির্বাচন আমরা সীমিত রাখি।
তিনি বলেন, বেশি উচ্চাশা সরকারের ভেতর থেকেও নেই। আর এটা নিয়ে ধোঁয়াশারও কিছুও নেই, যে কবে নির্বাচন হবে? নির্বাচন দেবে কী, দেবে না? অবশ্যই নির্বাচন হবে। ডিসেম্বর অথবা জুন দুইটা টাইমলাইন আছে, এই টাইমলাইনের ভেতরেই হয়ে যাবে। এ কথার বাইরে সরকার হয়তো যাবে না। রাজনৈতিক দলগুলো প্রস্তুতি নিক, নির্বাচন হবে।
এ সময় মাহফুজ আলমের বাবা ও ইছাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুর রহমান বাচ্চু মোল্লা, জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) সংগঠক হামজা মাহবুব, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক আরমান হোসেন, মুখপাত্র বায়েজীদ হোসেন ও মুখ্য সংগঠক সাইফুল ইসলাম মুরাদ প্রমুখ।